Ramadan Er Dua 10+ FAQ । রোজা মাকরুহ হলে করণীয় । রোজা ভঙ্গ হলে করণীয়
Ramadan Er Dua এর পাশাপাশি
2026 Ramadan Calendar Bangladesh | ফ্রি pdf ডাওনলোড লিংক
১। সেহরির নিয়ত কি? / সেহরির দোয়া আরবিতে / রোজার নিয়ত কিভাবে করতে হয়? / রোজা রাখার নিয়তে কি বলতে হয়? / রোজার নিয়ত আরবি এবং বাংলা / রোজার নিয়ত কখন করতে হয় / ফরজ রোজার নিয়ত বাংলায়/ Ramadan Er Dua
نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم
বাংলা উচ্চারণ-
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
বাংলা অর্থ-
হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে আপনার পক্ষ হতে ফরজকৃত রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব আপনি আমার পক্ষ হতে কবুল তা কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বকালের সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
সেহরির দোয়া / Ramadan Er Dua
نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم
বাংলা উচ্চারণ-
নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন্ শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস্ সামিউল আলিম।
বাংলা অর্থ-
হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র মাহে রমজানের নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম। অতএব আপনি আমার রোযা তথা পানাহার থেকে বিরত থাকাকে কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।
এই নিয়্যত ও দোয়া আরবি ও বাংলা উভয়ভাবেই করা যায়। তবে, যেহেতু মুসলিম উম্মাহ পবিত্র মাহে রমযানের রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরি খেয়ে থাকে, সেই প্রেক্ষিত থেকে মুখে উচ্চারণ না করলেও নিয়ত সম্পন্ন হয়ে যায় বলে, সমাজে এই নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।
২। সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা যাবে কি? / সেহরি না উঠলে কি রোজা রাখা যাবে? রোজার সেহরি করা কি বাধ্যতামূলক?
অনেকেরই এমন হয় যে সেহরির সময় ঘুম ভাঙে না। প্রশ্ন হলো: সেহরি না খেলে কি রোজা রাখা বাধ্যতামূলক থাকবে?
📖 কোরআনের নির্দেশ
মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:
يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”
(সূরা আল-বাকারা ২:১৮৩)
এই আয়াত থেকে স্পষ্ট—রোজা একটি ফরজ ইবাদত। সেহরি না খাওয়া রোজা না রাখার বৈধ অজুহাত নয়।
সেহরি মিস হলে কী করণীয়-
যদি কেউ সেহরির সময় ঘুমিয়ে থাকে বা খেতে না পারে, তবুও তাকে রোজা রাখতে হবে।
রোজা ফরজ হওয়ার জন্য সেহরি খাওয়া শর্ত নয়। বরং সেহরি হলো সুন্নাহ এবং বরকতময় একটি আমল।
হ্যাঁ, সেহরি ছাড়া রোজা রাখা কিছুটা কষ্টকর হতে পারে। কিন্তু কষ্টই ইবাদতের সৌন্দর্যকে বাড়ায়। ইচ্ছাকৃতভাবে অলসতা বা অবহেলার কারণে রোজা না রাখা গুনাহ।
তবে যদি কারো গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা থাকে বা চিকিৎসাগত ঝুঁকি থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে শরিয়ত রোজা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্ভরযোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
নিয়ত (নিয়্যাহ) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
রোজা সহিহ হওয়ার জন্য নিয়ত জরুরি।
হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ফজরের আগে রোজার নিয়ত করেনি, তার রোজা হবে না।”
(সুনান আন-নাসাঈ ২৩৩১)
অতএব, রাতের মধ্যে অন্তরে রোজার নিয়ত থাকা আবশ্যক। মুখে উচ্চারণ করা বাধ্যতামূলক নয়; অন্তরের সংকল্পই যথেষ্ট।
৩। সেহরি কি রোজার আবশ্যিক অংশ?
সেহরি রোজার ফরজ অংশ নয়। তবে এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ।
আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূল ﷺ বলেছেন:
“সেহরি খাও; কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে।”
(সহিহ বুখারি; সহিহ মুসলিম — রিয়াদুস সালিহীন, হাদিস ১২২৯)
আরেক বর্ণনায় এসেছে:
“সেহরি গ্রহণ করো, এতে বরকত আছে।”
(সুনান ইবনে মাজাহ ১৬৯২)
এ থেকে বোঝা যায়—সেহরি অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়, তবে এটি রোজা সহিহ হওয়ার শর্ত নয়।
সংক্ষেপে বিধান / Ramadan Er Dua
✔ সেহরি না খেলেও রোজা রাখতে হবে।
✔ সেহরি সুন্নাহ; ফরজ নয়।
✔ নিয়ত ফজরের আগে থাকা জরুরি।
✔ ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ত্যাগ করা গুনাহ।
✔ অসুস্থতা বা শরিয়তসম্মত কারণ থাকলে রোজা মওকুফ হতে পারে।
৪। ইফতারের দোয়া / রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া / রোজা খোলার নিয়ত/ Ramadan Er Dua
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِيْمِيْن
বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
ইফতারের পরের দোয়া
ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ
বাংলা উচ্চারণ-
জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’
বাংলা অর্থ-
(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো। (আবু দাউদ, মিশকাত)
Ramadan Er Dua সহ গুরুত্বপূর্ণ সব FAQ
৫। তারাবির নামাজের নিয়ত ও দোয়া / Ramadan Er Dua
نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر
বাংলা উচ্চারণ-
নাওয়াইতু আন উসালিয়া ল্লিলাহি তায়ালা, রাকাআ’তাই সালাতিত তারাবি সুন্নাতু রাসুল্লিলাহি তায়ালা। মুতাওয়াযজ্জিহান ইলা যিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।
৬। রোজা মাকরুহ হওয়ার কারণ কয়টি ও কি কি?
১। যেসব কাজ রোজার মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে (মাকরূহ)
রোজা কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয়; চরিত্র ও আচরণও সংযত রাখা ফরজের অংশ। মিথ্যা বলা, মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া, মিথ্যা কসম করা, গীবত, চোগলখুরি, প্রতারণা, ঝগড়া-বিবাদ, অশ্লীল কথা ও আচরণ, জুলুম, বিদ্বেষ, পর্দাহীনতা কিংবা বড় গুনাহে লিপ্ত হওয়া—এসব রোজার সাওয়াব নষ্ট করে এবং রোজাকে মাকরূহ করে ফেলে। এসব কাজ যে সর্বাবস্থায়ই হারাম, তা স্পষ্ট।
(রোজে কা মাসায়িল কা ইনসাইক্লোপিডিয়া, পৃ. ১০৮)
📖 হাদিসের দলিল
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزّورِ وَالعَمَلَ بِهِ وَالجَهْلَ، فَلَيْسَ لِلهِ حَاجَةٌ أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ
“যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও অন্যায় আচরণ পরিত্যাগ করল না, তার পানাহার ত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” (সহীহ বুখারী ৬০৫৭)
আরেক হাদিসে এসেছে:
إذا كان يوم صوم أحدكم فلا يرفث ولا يصخب
“তোমাদের কেউ যখন রোজা রাখে, তখন সে যেন অশ্লীল কথা না বলে এবং হৈচৈ-হট্টগোলে লিপ্ত না হয়।” (সহীহ বুখারী ১৯০৪)
২️। কুলি ও নাকে পানি দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা
রোজা অবস্থায় অযু বা গোসলের সময় গড়গড়া করে কুলি করা কিংবা নাকের গভীরে পানি পৌঁছানো মাকরূহ। কারণ এতে পানি গলায় চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৯৯)
লাকিত ইবনে সবিরা (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ বলেছেন:
بالغ في الاستنشاق، إلا أن تكون صائما
“অযু বা গোসলের সময় ভালোভাবে নাকে পানি দাও, তবে রোজাদার হলে নয়।”
(জামে তিরমিযী ৭৬৬)
৩️। এমন কাজ যা অতিরিক্ত দুর্বলতা সৃষ্টি করে
যে কাজের ফলে রোজাদার অত্যধিক দুর্বল হয়ে পড়ে, তা করা মাকরূহ। উদাহরণ হিসেবে শিঙ্গা লাগানো উল্লেখ করা হয়েছে। (আলমুহীতুল বুরহানী ৩/৩৫৬; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০০)
৪️। রক্ত বের হওয়া বা ইনজেকশন নেওয়া
রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে বা চিকিৎসার প্রয়োজনে ইনজেকশনের মাধ্যমে রক্ত নেওয়া হলে রোজা ভঙ্গ হয় না। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এত বেশি রক্ত বের করা মাকরূহ, যার ফলে রোজাদার দুর্বল হয়ে পড়ে।
সাবিত আল-বুনানী (রহ.) বলেন:
আনাস (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, রোজাদারের জন্য শিঙ্গা লাগানোকে কি আপনারা অপছন্দ করতেন?
তিনি বলেন, “না; তবে দুর্বলতার আশঙ্কা থাকলে তা মাকরূহ।” (সহীহ বুখারী ১৯৪০)
৫। পুঁজ বের হলে কি রোজা হবে?
হানাফি ফিকহে স্পষ্ট বলা হয়েছে—রোজা ভঙ্গের জন্য শরীরের অভ্যন্তরে কিছু প্রবেশ করা শর্ত। কেবল বাহ্যিক রক্তক্ষরণ বা পুঁজ বের হওয়া রোজা ভঙ্গের কারণ নয়।
(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৩; রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫)
⚖ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা / Ramadan Er Dua
✔ ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বা পুঁজ বের হলে রোজা ভাঙবে না।
✔ ইনজেকশন বা রক্ত পরীক্ষা করালেও (যদি পুষ্টিকর কিছু প্রবেশ না করে) রোজা ভঙ্গ হবে না।
✔ তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এত বেশি রক্ত বের করা, যাতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে—তা মাকরূহ।
(সহিহ বুখারি ১৯৪০ এর আলোকে)
৭। রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা যাবে কি? / বউকে জড়িয়ে ধরা কি জায়েজ? /
রমজানে স্বামীকে চুম্বন করা যাবে কি? / ইসলামে রোজা অবস্থায় গোপনাঙ্গ স্পর্শ করা যাবে কি?
রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন বা আলিঙ্গন হুকুম
রোজা অবস্থায় বীর্যপাত বা সহবাসের আশঙ্কা না থাকলে স্ত্রীকে চুম্বন করা বৈধ। তবে কামভাব প্রবল হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তা মাকরূহ। (কিতাবুল ফিকহ ১/৯২৭)
আবু হুরায়রা (রাযি.) থেকে বর্ণিত:
এক ব্যক্তি নবী ﷺ-কে রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে অনুমতি দেন। পরে আরেক ব্যক্তি একই প্রশ্ন করলে তিনি তাকে নিষেধ করেন। যাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল তিনি ছিলেন বয়স্ক; আর যাকে নিষেধ করা হয়েছিল তিনি ছিলেন যুবক। (আবু দাউদ ২৩৮৭)
এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, বিষয়টি ব্যক্তির আত্মনিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরশীল।
রোজার উদ্দেশ্য কেবল খাবার ও পানীয় ত্যাগ নয়; বরং আত্মসংযম, তাকওয়া ও চরিত্র গঠন। শরিয়তের দৃষ্টিতে যেসব কাজ রোজার সাওয়াব কমিয়ে দেয় বা মাকরূহ করে, সেগুলো থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
৮। রোজা রেখে সহবাস করা যাবে কি?/ রোজা অবস্থায় সহবাস করলে কাফফারা কি হয়?/
রোজা রাখার নিষেধ কি কি?/ সহবাসের কোন অবস্থায় রোজা নষ্ট হবে?
রোজা অবস্থায় সহবাসের হুকুম
শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, স্বামীর লিঙ্গাগ্র স্ত্রীর যোনিতে প্রবেশ করলেই রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়—বীর্যপাত হোক বা না হোক। কারণ এখানে পূর্ণ সহবাস সংঘটিত হয়েছে।
তদ্রূপ, অবৈধভাবে পায়ুপথে লিঙ্গ প্রবেশ করালেও রোজা বাতিল হবে। উল্লেখ্য, স্ত্রীর পায়ুপথে সহবাস করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও মহাপাপ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর পায়ুপথে সহবাস করে, আল্লাহ তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকান না।”
(সুনান আবু দাউদ ২১৬২; তিরমিজি ১১৬৫ — সহিহ হিসেবে গণ্য)
২️। রমজানের দিনে সহবাস করলে কী হবে?
রমজানের দিনে, যখন রোজা ফরজ এবং তা ভাঙার বৈধ কোনো কারণ নেই—এ অবস্থায় ইচ্ছাকৃত সহবাস করলে কয়েকটি বিষয় প্রযোজ্য হবে:
(ক) গুরুতর গুনাহ
এটি কাবীরা গুনাহ। এজন্য খাঁটি তওবা করা ফরজ।
(খ) রোজা বাতিল
ঐ দিনের রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।
(গ) দিনের অবশিষ্ট সময় বিরত থাকা
রোজা ভেঙে গেলেও সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকতে হবে।
(ঘ) কাজা
রমজানের পর ঐ দিনের একটি রোজা কাজা আদায় করতে হবে।
(ঙ) কাফফারা (বড় প্রায়শ্চিত্ত)
সহিহ হাদিসে বর্ণিত আছে—
এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ-এর কাছে এসে বললেন, “আমি ধ্বংস হয়ে গেছি!”
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে?”
লোকটি বলল, “আমি রমজানে রোজা অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছি।”
তখন রাসূল ﷺ তাকে ক্রমানুসারে তিনটি বিকল্প দেন:
1️⃣ একজন দাস মুক্ত করা।
2️⃣ তা না পারলে একটানা দুই মাস রোজা রাখা।
3️⃣ তাও না পারলে ৬০ জন মিসকিনকে খাদ্যদান করা।
(সহিহ বুখারি ১৯৩৬; সহিহ মুসলিম ১১১১)
এটাই কাফফারার মূল দলিল।
৩️। কোরআনের ভিত্তি
মহান আল্লাহ বলেন:
“রোজার রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রীদের সাথে সহবাস হালাল করা হয়েছে…”
(সূরা আল-বাকারা ২:১৮৭)
এই আয়াত থেকে বোঝা যায়—রাতে সহবাস বৈধ; দিনে রোজা অবস্থায় তা বৈধ নয়।
অতএব, দিনের বেলায় ইচ্ছাকৃত সহবাস রোজা ভঙ্গের স্পষ্ট কারণ।
৪️। গুরুত্বপূর্ণ দিক
বীর্যপাত না হলেও সহবাস সংঘটিত হলে রোজা নষ্ট হবে।
কেবল কামভাব জাগ্রত হওয়া বা স্বপ্নদোষ হলে রোজা নষ্ট হয় না।
কাফফারা কেবল ইচ্ছাকৃত সহবাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সারসংক্ষেপ / Ramadan Er Dua
✔ রোজা অবস্থায় যোনিতে সহবাস হলে রোজা ভেঙে যাবে।
✔ রমজানের দিনে ইচ্ছাকৃতভাবে তা করলে কাজা ও কাফফারা উভয়ই বাধ্যতামূলক।
✔ কাফফারা: দাস মুক্তি → না পারলে ২ মাস লাগাতার রোজা → না পারলে ৬০ জন মিসকিনকে আহার।
✔ রাতে সহবাস বৈধ; দিনে নয়।
৯। রোজা রেখে স্বপ্নদোষ হলে কি রোজা ভেঙে যায়?/ রাতে স্বপ্নদোষ হলে রোজা হবে কিনা?/ রমজান মাসে স্বপ্নদোষ হলে রোজা হবে?/ ভেজা স্বপ্ন দেখলে কি রোজা রাখা যাবে?/ রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা হবে কি?
১। স্বপ্নদোষ হলে রোজার হুকুম
স্বপ্নদোষ মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন বিষয় নয়; এটি নিদ্রাবস্থায় ঘটে। তাই রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভঙ্গ হয় না।
ফিকহি গ্রন্থেও উল্লেখ আছে যে, এ অবস্থায় রোজা সহিহ থাকবে; শুধু পবিত্রতার জন্য গোসল করা ফরজ হবে।
(ফতওয়ায়ে শামি, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৩৬৬)
রোজা ভঙ্গ হওয়ার জন্য সচেতনভাবে এমন কাজ করতে হয় যা শরিয়তে নির্ধারিত কারণ হিসেবে উল্লেখ আছে। অনিচ্ছাকৃত বমি, শিঙ্গা লাগানো বা স্বপ্নদোষ—এসব রোজা নষ্ট করে না।
তাই “রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভেঙে যায়” — এ ধারণা শরিয়তসম্মত নয়। বরং গোসল করে স্বাভাবিকভাবে ইবাদত চালিয়ে যেতে হবে।
২️। নারীদের স্বপ্নদোষ ও গোসলের বিধান
উম্মুল মুমিনিন উম্মে সালামা (রা.) বর্ণনা করেন, আবু তালহা (রা.)-এর স্ত্রী উম্মে সুলাইম (রা.) রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে জানতে চান:
“হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ সত্য বিষয়ে লজ্জা করেন না। কোনো নারীর যদি স্বপ্নদোষ হয়, তবে কি তার ওপর গোসল ফরজ হবে?”
রাসূল ﷺ উত্তরে বলেন:
“হ্যাঁ, যদি সে ভেজা দেখতে পায়।”
(সহিহ বুখারি ১/৪২)
এই হাদিস থেকে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার হয়:
1️⃣ পুরুষদের মতো নারীদেরও স্বপ্নদোষ হতে পারে।
2️⃣ স্বপ্নদোষ হলে এবং নিঃসরণ দেখা গেলে গোসল ফরজ হবে।
3️⃣ এটি স্বাভাবিক ও মানবীয় প্রক্রিয়া।
১০। বমি করলে কি রোজা ভেঙে যায়?/ রোজা থাকা অবস্থায় বমি হলে কি রোজা হবে?/
বমির পর রোজা রাখা যাবে কি?/ সেহরি খাওয়ার পর বমি করলে রোজা হবে?
ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত বমি — রোজার বিধান
📖 হাদিসের স্পষ্ট দলিল
নবী ﷺ বলেছেন:
“যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়েছে, তার ওপর কাজা নেই। আর যে ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করেছে, তার ওপর কাজা আছে।”
(সুনান আবু দাউদ ২৩৮০; সুনান তিরমিজি ৭২০ — সহিহ)
এই হাদিস থেকেই মূল বিধান নির্ধারিত হয়েছে।
🔹 ১. ইচ্ছাকৃতভাবে মুখভর্তি বমি করলে
যদি কেউ নিজে চেষ্টা করে বমি করে এবং তা মুখভর্তি পরিমাণ হয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। এ ক্ষেত্রে ঐ দিনের রোজা কাজা করতে হবে।
(হাদিস: আবু দাউদ ২৩৮০; তিরমিজি ৭২০)
হানাফি ফিকহে “মুখভর্তি” (ملء الفم) পরিমাণকে মানদণ্ড ধরা হয়েছে।
(রদ্দুল মুহতার ২/৪০৪)
🔹 ২. অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হলে
যদি বমি নিজে থেকেই হয়ে যায়, জোর করে না করা হয়, তাহলে রোজা ভাঙবে না।
(সুনান তিরমিজি ৭২০)
তবে বমির পর মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে কুলি করা উচিত, যাতে কিছু গলায় না যায়।
🔹 ৩. বমি গিলে ফেললে
যদি অনিচ্ছাকৃত বমি হওয়ার পর কেউ তা ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেলে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ এতে বাইরে আসা বস্তু পুনরায় ইচ্ছাকৃতভাবে ভেতরে প্রবেশ করানো হয়েছে।
(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৪)
কিন্তু যদি সামান্য পরিমাণ বমি অনিচ্ছায় আবার ভেতরে চলে যায় এবং তা এড়ানো সম্ভব না হয়, তাহলে রোজা ভাঙবে না।
(রদ্দুল মুহতার ২/৪০৪)
⚖ সারসংক্ষেপ / Ramadan Er Dua
✔ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখভর্তি বমি করলে রোজা ভাঙে।
✔ অনিচ্ছাকৃত বমিতে রোজা ভাঙে না।
✔ বমির পর মুখ ধুয়ে ফেলা জরুরি।
✔ বমি ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে।
১১। বমি, শিঙ্গা ও স্বপ্নদোষ সম্পর্কে হাদিস
আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী কারিম ﷺ বলেছেন:
“তিনটি বিষয় রোজা ভঙ্গ করে না— বমি, শিঙ্গা লাগানো এবং স্বপ্নদোষ।”
(বায়হাকি ৪/২৬৪; মুসনাদে বাজ্জার ৫২৮৭; নাসবুর রায়াহ ২/৪৪৭; মাজমাউয যাওয়ায়েদ ৩/১৭০; জামে তিরমিজি ৭১৯; আদ্দুররুল মুখতার ২/৩৯৬)
এ বর্ণনা থেকে স্পষ্ট হয়, অনিচ্ছাকৃত বমি, শিঙ্গা লাগানো বা স্বপ্নদোষ রোজা নষ্ট করে না। ফিকহি কিতাবসমূহেও একই বক্তব্য পাওয়া যায়।
১২। সাদাস্রাব হলে রোজা হবে কি?/ স্রাব কি রোজা ভঙ্গ করে হানাফি?/ সাদা স্রাব হলে কি গোসল ফরজ হয়?/ সাদা স্রাব ভাঙলে কি নামাজ হয়?
সাদা স্রাব (White Discharge) হলে রোজার হুকুম
১️। সাদা স্রাব হলে রোজা ভাঙবে কি?
নারীদের স্বাভাবিক সাদা স্রাব (যা মাসিক রক্ত নয়) বের হলে রোজা ভঙ্গ হয় না। রোজা রাখা অবস্থায় এ স্রাব বের হলেও রোজা সহিহ থাকবে।
কারণ, রোজা ভঙ্গের কারণগুলো শরিয়তে নির্দিষ্টভাবে বর্ণিত। কোরআনে আল্লাহ বলেন:
“…তোমরা পানাহার করো ফজর পর্যন্ত… তারপর রাত পর্যন্ত রোজা পূর্ণ করো।”
(সূরা আল-বাকারা ২:১৮৭)
এ আয়াত ও সংশ্লিষ্ট হাদিসসমূহে রোজা ভঙ্গের মৌলিক কারণ হিসেবে পানাহার ও সহবাসের কথা এসেছে। স্বাভাবিক সাদা স্রাব রোজা ভঙ্গের অন্তর্ভুক্ত নয়।
ফিকহি গ্রন্থেও উল্লেখ আছে যে, স্বাভাবিক যোনি নিঃসরণ (যা হায়েয নয়) রোজা নষ্ট করে না।
(রদ্দুল মুহতার/ফাতওয়ায়ে শামি ২/৩৯৬; আল-হিদায়া ১/১২৩)
২️। পবিত্রতার হুকুম (ওজু ও গোসল)
🔹 ওজুর বিধান
সাদা স্রাব বের হলে ওজু ভেঙে যায়। কারণ এটি শরীর থেকে নির্গত পদার্থ, যা ওজু ভঙ্গের কারণের অন্তর্ভুক্ত।
(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১০; রদ্দুল মুহতার ১/১৩৬)
🔹 গোসলের বিধান
এতে গোসল ফরজ হয় না। গোসল ফরজ হয় কেবল হায়েয, নেফাস বা বীর্যপাতের ক্ষেত্রে।
(আল-মাবসুত ১/৬৭; ফিকহুস সুন্নাহ ১/৬৩)
অতএব, সাদা স্রাব হলে শুধু ওজু করতে হবে; গোসল আবশ্যক নয়।
৩️। নামাজের বিধান
নামাজের সময় হলে পবিত্রতা নিশ্চিত করে নতুন করে ওজু করতে হবে। যদি স্রাব অব্যাহতভাবে চলতে থাকে (মাজুর অবস্থার মতো), তাহলে প্রত্যেক ওয়াক্তে নতুন ওজু করে নামাজ আদায় করা যাবে।
(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৪১)
৪️। পরিচ্ছন্নতার নির্দেশনা
যদি স্রাব বেশি হয়, তবে প্যাড বা পরিষ্কার টিস্যু ব্যবহার করা উত্তম। এতে কাপড় নাপাক হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং ইবাদতে মনোযোগ বজায় থাকে।
(ফিকহি কিতাবসমূহে ইস্তিহাযা সংক্রান্ত অধ্যায় দ্রষ্টব্য)
৫️। গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: সাদা স্রাব বনাম হায়েয
যদি স্রাবটি সাদা না হয়ে লাল, বাদামী বা হলদে রঙের হয় এবং তা হায়েযের সময়সীমার (সর্বোচ্চ ১০ দিন) মধ্যে পড়ে, তবে তা ঋতুস্রাব হিসেবে গণ্য হবে।
হায়েয অবস্থায় রোজা রাখা বৈধ নয় এবং পরে কাজা করতে হবে।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন:
“আমরা হায়েয অবস্থায় রোজার কাজা আদায় করতাম, কিন্তু নামাজের কাজা আদায় করতাম না।”
(সহিহ বুখারি ৩২১; সহিহ মুসলিম ৩৩৫)
হানাফি ফিকহ অনুযায়ী হায়েযের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০ দিন।
(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৩৮; রদ্দুল মুহতার ১/২৮৮)
সারসংক্ষেপ / Ramadan Er Dua
✔ স্বাভাবিক সাদা স্রাব হলে রোজা ভঙ্গ হবে না।
✔ এতে ওজু ভেঙে যাবে, তবে গোসল ফরজ হবে না।
✔ নামাজের আগে পবিত্র হয়ে নতুন ওজু করতে হবে।
✔ যদি রক্তসদৃশ নিঃসরণ হয় এবং তা হায়েযের মধ্যে পড়ে, তবে রোজা সহিহ হবে না এবং পরে কাজা করতে হবে।
১৩। ফরজ গোসল ছাড়া রোজা হবে কি?/ ১. নাপাক অবস্থায় (জানাবাত) ফজর হলে রোজা হবে?
হ্যাঁ, হবে।
যদি কারও ওপর গোসল ফরজ হয় (যেমন সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে) এবং ফজরের আগে গোসল করতে না পারে, কিন্তু রোজার নিয়ত থাকে—তাহলে তার রোজা সহিহ হবে।
📖 হাদিসের দলিল
উম্মুল মুমিনীন Aisha (রা.) ও Umm Salama (রা.) থেকে বর্ণিত:
“রাসূলুল্লাহ ﷺ জানাবাত অবস্থায় ফজর পেতেন (অর্থাৎ গোসল না করেই সকাল হতো), এরপর তিনি গোসল করতেন এবং রোজা রাখতেন।”
(সহিহ বুখারি ১৯২৬; সহিহ মুসলিম ১১০৯)
এ থেকে স্পষ্ট—গোসল ফরজ থাকা সত্ত্বেও রোজা সহিহ হয়।
১৪। নাপাক অবস্থায় রোজা রাখলে কি গুনাহ হবে?
রোজা হবে, কিন্তু ফজরের পরও বিনা কারণে দেরি করে গোসল করলে নামাজ আদায়ে বিলম্ব হবে, যা গুনাহের কারণ।
অতএব, দ্রুত গোসল করে নামাজ আদায় করা ফরজ।
১৫। ফরজ গোসলের বিকল্প কী?
পানি ব্যবহার সম্ভব না হলে বা অসুস্থতার কারণে ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে তায়াম্মুম করা যাবে।
📖 কোরআনের দলিল
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর যদি তোমরা অপবিত্র অবস্থায় থাকো তবে পবিত্রতা অর্জন করো। আর যদি পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো…”
(সূরা আল-মায়িদাহ ৫:৬)
অতএব, পানির অক্ষমতায় তায়াম্মুমই বিকল্প।
১৬। রোজার সঙ্গে গোসলের সম্পর্ক কী?
রোজা ভঙ্গের কারণ হলো—ইচ্ছাকৃত পানাহার বা সহবাস (সূরা আল-বাকারা ২:১৮৭ অনুযায়ী)।
গোসল করা বা না করা রোজা ভঙ্গের কারণ নয়।
অতএব:
✔ জানাবাত অবস্থায় ফজর হলে রোজা সহিহ।
✔ গোসল ফরজ হলেও রোজা শুদ্ধ।
✔ তবে নামাজের জন্য দ্রুত গোসল করতে হবে।
✔ পানি না পেলে তায়াম্মুম বৈধ বিকল্প।
Ramadan Er Dua in Bangla
১ম রমজানের দোয়া – Ramadan Er Dua
হে আল্লাহ ! আমার আজকের রোজাকে প্রকৃত রোজাদারদের রোজা হিসেবে গ্রহণ কর। আমার নামাজকে কবুল কর প্রকৃত নামাজীদের নামাজ হিসেবে। আমাকে জাগিয়ে তোলো গাফিলতির ঘুম থেকে। হে জগত সমূহের প্রতিপালক! এদিনে আমার সব গুনাহ মাফ করে দাও। ক্ষমা করে দাও আমার যাবতীয় অপরাধ। হে অপরাধীদের অপরাধ ক্ষমাকারী।
২য় রমজানের দোয়া – Ramadan Er Dua
হে আল্লাহ! তোমার রহমতের উসিলায় আজ আমাকে তোমার সন্তুষ্টির কাছাকাছি নিয়ে যাও। দূরে সরিয়ে দাও তোমার ক্রোধ আর গজব থেকে । আমাকে তৌফিক দাও তোমার পবিত্র কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করার । হে দয়াবানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়াময়।
৩য় রমজানের দোয়া – Ramadan Er Dua
হে আল্লাহ ! আজকের দিনে আমাকে সচেতনতা ও বিচক্ষণতা দান কর। আমাকে দূরে রাখ অজ্ঞতা , নির্বুদ্ধিতা ও ভ্রান্ত কাজ-কর্ম থেকে। এ দিনে যত ধরণের কল্যাণ দান করবে তার প্রত্যেকটি থেকে তোমার দয়ার উসিলায় আমাকে উপকৃত কর। হে দানশীলদের মধ্যে সর্বোত্তম দানশীল।
৪র্থ রমজানের দোয়া – Ramadan Er Dua
হে আল্লাহ ! এ দিনে আমাকে তোমার নির্দেশ পালনের শক্তি দাও। তোমার জিকিরের মাধুর্য আমাকে আস্বাদন করাও। তোমার অপার করুণার মাধ্যমে আমাকে তোমার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য প্রস্তুত কর । হে দৃষ্টিমানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দৃষ্টিমান। আমাকে এ দিনে তোমারই আশ্রয় ও হেফাজতে রক্ষা কর।
৫ম রমজানের দোয়া-Ramadan Er Dua, ৬ষ্ঠ রমজানের দোয়া–Ramadan Er Dua সহ ধারাবাহিকভাবে ৩০ রমজানের দোয়া – Ramadan Er Dua in Bangla দেখুন এক লিংক থেকেই আরবিসহ একসাথে।
Ramadan Er Dua ও প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই

🔥Ramadan Er Dua নিয়ে ফ্রি কন্টেন্ট ছাড়াও Best Selling eBooks / pdf
👉মুসলিম ফারায়েজ আইন বই | ভূমি নামজারির আদ্যোপান্ত
👉e-GP টেন্ডার এর আদ্যোপান্ত – পার্ট ১
👉e-GP টেন্ডার এর আদ্যোপান্ত – পার্ট ২
👉Agile Scrum Master Book pdf | এজাইল মডেল গাইড ইন বাংলা
👉 Mohilader Ihram Bangla pdf Review | মহিলাদের ইহরাম বাঁধার নিয়ম
👉Earthquake Risk Management Strategies | ভূমিকম্পের আদ্যোপান্ত